পাখির কলতান নাকি ভাষা !

আজ লিখছি এক অদ্ভুত সুন্দর বিষয় নিয়ে ,যা ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ভালো লেগেছে ।কিছুটা অদ্ভুত মনে হলেও কিছু মানুষ শব্দ উচ্চারণ না করে কেবল শিষ বাজিয়ে সুরে সুরে অনেকটা পাখিদের মতো যোগাযোগ করে যেমনটি কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ । কয়েক শতাব্দী আগে তুরস্কের গিরেসান প্রদেশের একটি গ্রামের কুসকয় ( তুর্কিতে পাখির গ্রাম ) বাসিন্দারা এ ভাষার ব্যবহার শুরু করে । বলা যায় প্রায় ৫০০ বছর আগে অটোমান সাম্রাজ্যের সময় এ ভাষার প্রচলন । এটা কে মূলত পাখির ভাষা ‘ Bird Language’ হিসেবে বা Whistled Language ‘ হিসেবে বলা হয় ।

undefined

এর সূচনা বলতে গেলে পাহাড় থেকে পাহাড়ে যোগাযোগের জন্য এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ভাষার ব্যবহার শুরু হয় । সবচেয়ে মজার বিষয় হল, এটাকে যদি SUST ১ কিলোমিটার রাস্তার সাথে চিন্তা করি তাহলে বলা যায় ঠিক এমন দূরত্ব থেকে তারা এ ভাষা শুনতে পায় । কিন্তু তার সাথে সাথে দুঃখজনক বিষয় হল সময়ের সাথে সাথে প্রযুক্তির ব্যবহার এর ক্রমশ বাড়ায় এ ভাষার ব্যবহার হুমকির মুখে । । এটাকে রক্ষা করতে ইউনেস্কো(UNESCO) ২০১৭ সালে ইনট্যানজিবল হেরিটেজ তালিকায়(1) স্থান দিয়েছে এই ভাষা ‘পাখির ভাষা’ নামক ভাষাকে !

তবুও তুরস্কের অনেক স্কুলে এ সুন্দর পাখির ভাষাটি শেখানো হয় । তাছাড়া ও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুরস্কের একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গেরিসান বিশ্ববিদ্যালয় এর পর্যটন অনুষদ এটা কে ঐচ্ছিক কোর্স হিসেবে নিয়ে কার্যক্রম চালু করেছে ।বিশ্ববিদ্যালয়টি এমন একটি ভাষার জন্য একটি লিখিত বর্ণমালা তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে যা দীর্ঘকাল ধরে নিখুঁত মৌখিক, এক হাজার লিখিত শব্দ বা আরও বেশি দিয়ে একটি ভাষা তৈরি করে। প্রায় ১০,০০০ মানুষ এখনও পাখির ভাষা ব্যবহার করে । মেক্সিকো, ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ, ফ্রান্স এবং গ্রিসের গ্রামীণ অঞ্চলগুলিতেও একই রকম ভাষা বিদ্যমান।

Reference:

1.Neural processing of a Whistled Language by

2. 1.https://ich.unesco.org/en/USL/whistled-language-00658

3.https://www.youtube.com/watch?v=OSoP5qNuNOI&feature=emb_log

নিজেকে !

সবসময় নিজেকে খোলসে ঢেকে রেখে ,এভাবে ভণ্ডামি আমরা আর কতদিন করে বেড়াব। নিজের দোষ ,দুর্বলতা অন্যেের উপর চাপিয়ে দেয়া আমদের এখন ব্যধিতে পরিণত হয়েছে । নিজে চেষ্টা করে শেষ দেখা তুলনামুলকভাবে সহজ ,অন্যদিকে ঐ ব্যধির সংক্রমণ বা ঐ ব্যধির চর্চার শেষ কোথায় !